
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বাইরে থেকে প্রত্যাবাসিত বস্ত্রখাতে রপ্তানিতে সিএমটি মূল্যের উপর নগদ সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এক্ষেত্রে বাদ যাবে জাহাজ ভাড়া, বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ্য কমিশন, ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদি। এগুলো বাদ দিয়ে এ সহায়তার আওতায় আসবে।
রোববার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, অন-নো-কস্ট ভিত্তিতে উপকরণ সংগ্রহের মাধ্যমে তৈরি পোশাক বা বস্ত্রখাত সামগ্রী রপ্তানির বিপরীতে সিএমটি (কাট, মেক অ্যান্ড ট্রিম) মূল্যের ওপর প্রযোজ্য রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা হিসাবায়ন নিম্নরূপে হবে-
‘বিদেশ থেকে প্রত্যাবাসিত সিএমটি (কাট, মেক অ্যান্ড ট্রিম) মূল্যের উপর জাহাজ ভাড়া (রপ্তানিকারক কর্তৃক নির্বাহ করা হলে), বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ্য কমিশন, ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদি বাদ দিয়ে নগদ সহায়তা প্রদান হবে। অন-নো-কস্ট ভিত্তিতে আমদানি করা পণ্যের কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মূল্যায়িত মূল্য, রপ্তানিতে ব্যবহৃত ব্যাক-টু-ব্যাক পদ্ধতির আওতায় সংগৃহীত অন্যান্য উপকরণের (যদি থাকে) মূল্যের সঙ্গে প্রত্যাবাসিত সিএমটি মূল্য যোগ করে রপ্তানি পণ্যের নিট এফওবি মূল্য নির্ণয় হবে।
রপ্তানিতে নগদ সহায়তা প্রাপ্যতার জন্য স্থানীয় মূল্য সংযোজনের প্রযোজ্য হার বজায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় মূল্য সংযোজন হবে নিম্নরূপে:
‘রপ্তানিতে ব্যবহৃত ব্যাক-টু-ব্যাক পদ্ধতির আওতায় সংগৃহীত স্থানীয় অন্যান্য উপকরণের (যদি থাকে) সঙ্গে যোগ করতে হবে সিএমটি মূল্য (জাহাজ ভাড়া রপ্তানিককারক বহন করলে, বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধযোগ্য কমিশন, ইন্স্যুরেন্স বাদে) এবং রপ্তানি পণ্যের নির্ণিত নিট এফওবি মূল্য দিয়ে ভাগ করতে হবে। এরসঙ্গে ১০০ পূরণ করে মূল্য সংযোজনের হার বের হবে। বস্ত্রখাতে রপ্তানিতে নগদ সহায়তা সংশ্লিষ্ট সার্কুলারের অন্যান্য প্রযোজ্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।’


