Saturday, September 5, 2026
প্রচ্ছদ ব্যাংক-বীমা ব্যাংক রেজল্যুশন বিল সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ

ব্যাংক রেজল্যুশন বিল সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিলটি পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা শেষে সংশোধিত আকারে সংসদে পাসের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

বিল অনুযায়ী, ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন’-এর ১৮(ক) ধারা বাতিল করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশে’ এ বিধানটি ছিল না। পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর অধ্যাদেশটি সংশোধন ও অনুমোদনের সময় বিধানটি যুক্ত করা হয়।

‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন’ পাস হওয়ার পর ১৮(ক) ধারাটি বিতর্কের জন্ম দেয়। সমালোচকদের মতে, বিধানটি রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার অধীন ব্যাংকগুলোর সাবেক ও বিতর্কিত পরিচালক এবং শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানায় ফিরে আসার পথ প্রশস্ত করতে পারতো।

এ বিধানের আওতায়, কোনো ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগে যেসব শেয়ারহোল্ডার ওই ব্যাংকের শেয়ার ধারণ করতেন, তারা ব্যাংকটির শেয়ার, সম্পদ ও দায় পুনরায় অর্জনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে পারতেন। এছাড়া এ বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও একই সুযোগ দেয়ার ক্ষমতা রাখত।

পাঁচটি সংকটাপন্ন ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক’ গঠনের প্রক্রিয়ার সময় এ বিধান বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। কারণ ওই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের ফিরে আসার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। সমালোচনার মুখে সরকার পরবর্তীতে বিধানটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

বৈঠকে কমিটি সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খান, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. সাইফুল আলম, এবং সৈয়দ জয়নুল আবেদীন অংশ নেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচামড়া শিল্প পুনরুজ্জীবনে সমন্বিত সংস্কার পরিকল্পনা সরকারের
পরবর্তী নিবন্ধআয়কর রিটার্নে আয়-ব্যয়ের তথ্যে গরমিল পেলে ব্যবস্থা নেবে এনবিআর