Friday, May 22, 2026
প্রচ্ছদ খেলাধুলা শেষ পর্যন্ত থমাস ডুলিকে কোচ হিসেবে বেছে নিলো বাফুফে

শেষ পর্যন্ত থমাস ডুলিকে কোচ হিসেবে বেছে নিলো বাফুফে

শেষ পর্যন্ত থমাস ডুলিকে জাতীয় ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ফুটবল সমর্থকদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে গোপনীয়তার সাথে নতুন কোচকে ঢাকায় এনেছে বাফুফে।

ডুলি শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন। তবে বাফুফের সবাই মুখে কুলুপ এঁটেছেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কেউ কিছু বলতে রাজি নন। চারদিকে খবর চাউর হওয়ার পর বাফুফে থেকে বিজ্ঞাপ্তি দিয়ে ডুলির কথা জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। ক্যাবরেরা বিদায়ের পর কোচ নিয়ে নানা কাহিনী করে শেষ পর্যন্ত থমাস ডুলির হাতে রোববার জাতীয় দলকে তুলে দেবে বাফুফে।

কে এই থমাস ডুলি? তিনি যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক। তিনি দলটির অধিনায়ক ছিলেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে।

স্প্যানিশ কোচ ক্যাবরেরা চার বছর চার মাসেরও বেশি সময় ধরে দলের দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদি কোচ ছিলেন এই স্প্যানিশ। তার বিদায়ের পর নতুন কোচ নিয়োগে শুরু হয় নানা নাটক। ২৭৩ থেকে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা, তারপর ১১ জনকে অনলাইন ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়।

প্রাক্তন ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও ভেঙে যায়। তার পুরো কোচিং স্টাফ আনার দাবি এবং উচ্চ বেতনের কারণে চুক্তি হয়নি। তবে ফুটবল সমর্থকদের অভিযোগ কোলম্যানকে নিয়ে বাফুফে নাটক করেছে।

থমাস ডুলি এ মাসেই গায়ানার কোচ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তারপর থেকেই ডুলির নাম আলোচনায় আসে। থমাস ডুলির জন্ম ১৯৬১ সালের ১২ মে জার্মানির বেচহোফেনে। তার বাবা ছিলেন আমেরিকান সেনাবাহিনীর সদস্য এবং মা জার্মান। পুরো শৈশব-কৈশোর জার্মানিতে কাটানো ডুলি জার্মান ফুটবলের পরিবেশেই বেড়ে ওঠেন।

১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি জার্মানির বিভিন্ন ক্লাবে খেলে ৩৬ বছর বয়সে মেজর লিগ সকারে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার। খেলেছেন ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দলের অধিনায়কও ছিলেন। মোট ৮১ ম্যাচ খেলে ৭ গোল করেন।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ২০০২ সালে কোচিং পেশা বেছে নেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধযুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থায় আবারও বাড়ল তেলের দাম
পরবর্তী নিবন্ধসিলেটে হাম উপসর্গে একদিনে প্রাণ গেল ৫ শিশুর