
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) জানিয়েছে, মার্জিন বিধিমালা সংশোধন সংক্রান্ত খসড়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি। জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশের আগেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে অসম্পূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও অবাস্তব তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অযাচিত বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি এ স্পষ্টীকরণ দেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিশনের ১০২০তম সভায় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’ এর সংশোধন প্রস্তাবের খসড়া অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে খসড়াটি এখনো জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিএসইসি জানায়, সংশোধনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিদ্যমান বিধিমালার প্রয়োগকালে দেখা দেওয়া বাস্তব ও ব্যবহারিক জটিলতা দূর করা, বিধিমালাকে আরও সহজ, কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করা এবং বাজারসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য এর প্রয়োগকে অধিকতর সুবিধাজনক করে তোলা।
কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশোধন প্রস্তাব প্রণয়নের ক্ষেত্রে মার্জিন সুবিধা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারী, স্টক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংক, বাজার মধ্যস্থতাকারীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একটি কার্যকর, বাস্তবমুখী ও বিনিয়োগকারী-সহায়ক মার্জিন ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
বিএসইসি আরও জানায়, কমিশন সভায় অনুমোদিত খসড়াটি শিগগিরই জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও কমিশনের ওয়েবসাইটে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশ করা হবে। অংশীজন ও সাধারণ জনগণের মতামত গ্রহণের পর প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা শেষে বিধিমালার সংশোধনী চূড়ান্ত করা হবে।
এ অবস্থায় জনমত যাচাইয়ের আগেই সংশোধিত বিধিমালার বিষয়ে অনুমাননির্ভর বা আংশিক তথ্য প্রকাশ করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিশন।
বিএসইসি বলেছে, প্রকৃত খসড়া প্রকাশের পর বিধিমালার উদ্দেশ্য, পরিধি ও সংশোধনের যৌক্তিকতা সম্পর্কে সবার সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। একই সঙ্গে কমিশন পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই তারা কাজ করছে এবং মার্জিন বিধিমালার সংশোধনও সেই নীতির ধারাবাহিকতা।


